ফাল্গুনী

তার কারণ, আমরা যে কেবলই ছেলেমানুষ! সব জিনিসের সীমা আছে কেবল ছেলেমান্‌‍ষির সীমা নেই।

দাদাকে ঘেরিয়া নৃত্য

দাদা। তোদের কি কোনোকালেই বয়েস হবে না।

না, হবে না বয়েস, হবে না।

বুড়ো হয়ে মরব, তবু বয়েস হবে না।

বয়েস হলেই সেটাকে মাথা মুড়িয়ে ঘোল ঢেলে নদী পার করে দেব।

মাথা মুড়োবার খরচ লাগবে না ভাই — তার মাথাভরা টাক!


গান

আমাদের      পাকবে না চুল গো — মোদের

পাকবে না চুল।

আমাদের      ঝরবে না ফুল গো — মোদের

ঝরবে না ফুল।

আমরা      ঠেকব না তো কোনো শেষে,

ফুরয় না পথ কোনো দেশে রে।

আমাদের      ঘুচবে না ভুল গো-মোদের

ঘুচবে না ভুল।

 

সর্দার।                          আমারা নয়ন মুদে করব না ধ্যান,

করব না ধ্যান।

নিজের      মনের কোণে খুঁজব না জ্ঞান।

খুঁজব না জ্ঞান,

আমরা      ভেসে চলি স্রোতে স্রোতে

সাগরপানে শিখর হতে রে,

আমাদের      মিলবে না কূল গো — মোদের

মিলবে না কূল॥

এই উঠতি বয়সেই দাদার যেরকম মতিগতি, তাতে কোন্‌ দিন উনি সেই বুড়োর কাছে মন্তর নিতে যাবেন — আর দেরি নেই।

সর্দার। কোন্‌ বুড়ো রে।

চন্দ্রহাস। সেই যে মান্ধাতার আমলের বুড়ো। কোন্‌ গুহার মধ্যে তলিয়ে থাকে, মরবার নাম করে না।

সর্দার। তার খবর তোরা পেলি কোথা থেকে।

যার সঙ্গে দেখা হয় সবাই তার কথা বলে।