সংযোজন

ওরে   চিত্ররেখাডোরে বাঁধিল কে—

বহু   পূর্বস্মৃতিসম হেরি ওকে।

কার তুলিকা নিল মন্ত্রে জিনি

এই   মঞ্জুর রূপের নির্ঝরিণী,

স্থির নির্ঝরিণী,

যেন   ফাল্গুন-উপবনে শুক্লরাতে,

দোলপূর্ণিমাতে,

এল   ছন্দমুরতি কার নব অশোকে।

নৃত্যকলা যেন চিত্রে লিখা,

কোন্‌   স্বর্গের মোহিনী মরীচিকা,

শরৎ-নীলাম্বরে তড়িতলতা

কোথা হারাইল চঞ্চলতা।

হে স্তব্ধবাণী, কারে দিবে আনি

নন্দনমন্দারমাল্যখানি,

বরমাল্যখানি,

প্রিয়-   বন্ধনগান-জাগানো রাতে

শুভ   দর্শন দিবে তুমি কাহার চোখে॥

২৭ সেপ্টেম্বর ১৯৩৪

মায়াবন-বিহারিণী হরিণী,

গহনস্বপনসঞ্চারিণী,

কেন তারে ধরিবারে করি পণ, অকারণ।

থাক্‌ থাক্‌ নিজমনে দূরেতে,

আমি শুধু বাঁশরীর সুরেতে

পরশ করিব ওর প্রাণমন, অকারণ।

চমকিবে ফাগুনের পবনে,

পশিবে আকাশবাণী শ্রবণে,

চিত্ত আকুল হবে অনুখন, অকারণ।

দূর হতে আমি তারে সাধিব,

গোপনে বিরহডোরে বাঁধিব,