প্রকল্প সম্বন্ধেপ্রকল্প রূপায়ণেরবীন্দ্র-রচনাবলীজ্ঞাতব্য বিষয়পাঠকের চোখেআমাদের লিখুনডাউনলোডঅন্যান্য রচনা-সম্ভার |
কোঁচা দিয়া ধুলা ঝাড়িয়া একটা খবরের কাগজ মাটিতে পাতিয়া
উপবেশন ও গুন্গুন্ স্বরে গান
যদি জোটে রোজ
এমনি বিনি পয়সায় ভোজ!
ডিশের পরে ডিশ
শুধু মটন কারি ফিশ,
সঙ্গে তারি হুইস্কি সোডা দু-চার রয়াল ডোজ!
পরের তহবিল
চোকায় উইল্সনের বিল—
থাকি মনের সুখে হাস্যমুখে কে কার রাখে খোঁজ!
ওহে বাপু চন্দ্র, একটি কাজ করতে পার? বাগান থেকে চট করে একটি ডাব পেড়ে আনতে পার? বড়ো তেষ্টা পেয়েছে।
কেন? ডাব পাওয়া যাবে না কেন? বাগানে তো ডাব বিস্তর দেখে এলুম।
সব গাছ জমা দেওয়া হয়েছে? তা, হোক-না বাপু, একটি ডাবও মিলবে না?
পয়সা চাই? পয়সা তো আর নেই। তবে থাক্, বাবু আসুন, তার পরে দেখা যাবে।— সঙ্গে মাইনের টাকা আছে, কিন্তু ওকে ভাঙাতে দিতে সাহস হয় না। এখনো কোম্পানির মুল্লুকে যে এতবড়ো একটি ডাকাত বাইরে ছাড়া আছে তা আমি জানতুম না— যাই হোক, এখন উদয় এলে যে বাঁচি।
ঐ বুঝি আসছে। পায়ের শব্দ শুনছি। আঃ, বাঁচা গেল। ওহে উদয়, ওহে উদয়! কই, না তো। তুমি কে হে?
বাবু তোমাকে পাঠিয়ে দিলেন? তার চেয়ে নিজে এলেই তো ভালো করতেন। খিদেয় যে মারা গেলুম।
হোটেলের বাবু? কেরানিবাবু? কই, তাঁর সঙ্গে আমার তো কোনো আত্মীয়তা নেই। কিছু খাবার পাঠিয়েছেন বলতে পার?