বীথিকা

                             সম্মতি পাই নি আজও তার।

                 কর্ত্রী তুমি এ সংসারে ;

                             তাই বলে অবিচারে

     নিরাশ্রয় করি দিবে অনাথারে, হেন অধিকার

                       নাই নাই, নাইকো তোমার।

                এই ঘরে ঠাঁই দিল পিতা ওরে,

                         তারই জোরে

                             হেথা ওর স্থান

                          তোমারই সমান।

                              বিনা অপরাধে

           কী স্বত্বে তাড়াবে ওরে মিথ্যা পরিবাদে। '

 

            ঈর্ষাবিদ্বেষের বহ্নি দিল মাতৃমন ছেয়ে—

                             ‘ ওইটুকু মেয়ে

                   আমার সোনার ছেলে পর করে,

       আগুন লাগিয়ে দেয় কচি হাতে এ প্রাচীন ঘরে!

        অপরাধ! অনুকূল ওরে ভালোবাসে এই ঢের,

                    সীমা নেই এ অপরাধের।

         যত তর্ক কর তুমি, যে যুক্তি দাও - না

                       ইহার পাওনা

         ওই মেয়েটাকে হবে মেটাতে সত্বর।

                   আমারই এ ঘর

                  আমারই এ ধনজন

                         আমারই শাসন,

                     আর কারো নয়,

              আজই আমি দেব তার পরিচয়। '

 

               প্রমিতা যাবার বেলা ঘরে দিয়ে দ্বার

                    খুলে দিল সব অলংকার।

               পরিল মিলের শাড়ি মোটাসুতা - বোনা।

                         কানে ছিল সোনা,

                      কোনো জন্মদিনে তার